every word written
All stories
16 pieces · chronological
অতঃপর শ্রী
তোমার নামের উপর বড় লাল সিল, 'অদাবিষ্কৃত!' প্রাপক নেয়নি, নাকি প্রাপক নামের মানুষটাই আর ওই ঠিকানায় থাকে না? খামগুলো হাতে নিয়ে বসে পড়েছি চৌকাঠে, প্রতিটাতেই একই প্রশ্ন জ্বলছে।
2 min
read →এবং শ্রী
শ্রী, কনককঙ্কন হাতছাড়া করে পুনরায় ত্রৈমাসিক অপেক্ষার প্রহর চলমান। এরই মাঝে এসে পড়েছে বর্ষা, তীব্র ঝড়-বৃষ্টি। শুনেছি, রেললাইন ডুবে গেছে, সারাতে কত সময় লাগবে জানা নেই। এটা আমার জন্যে একটা মহা সমস্যা, একে তো আমি ট্রেন ছেড়েছি, তার উপর ক্রমাগত কালক্ষেপণ। কালক্ষেপণ থেকে মনে পড়লো, তোমার বর্ষা কেমন যায়, শ্রী? কালের সাক্ষী থেকে একটি বর্ষা কাটিয়েছি আমরা।
1 min
read →একটি খোলা চিঠি
আজ সুব্রভার্স (SubroVerse) তার চেনা গণ্ডি পেরিয়ে এক সম্পূর্ণ নতুন ঠিকানায় পা রাখলো। বছরের পর বছর ফেসবুকে শখের বশে লেখালেখি, কত শত চরিত্রের জন্ম দেওয়া—যাদের অনেকেই হয়তো নিজেদের গল্পে শেষ পর্যন্ত বাঁচতে পারেনি। কিন্তু আপনারা তাদের যে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়েছেন, তা ছিল সত্যিই অকল্পনীয়। সুব্রভার্সশুরু হয়েছিল ভালোবাসা থেকে, ভালোবাসার জন্যই।
2 min
read →কনককঙ্কণ
শ্রী, আজ তোমার সনে পুনরায় ত্রৈমাসিক সাক্ষাতের দিন। তোমার ঠিকানায় গাড়ী নিয়ে যাওয়ার রাস্তা দূরে থাক, পায়ে হেঁটে যাওয়ার ব্যবস্থাও নেই। আছে শুধু ট্রেন।ট্রেনটা-ও এমন, ত্রৈমাসে একবার যাত্রা করে। এই একবার যাত্রার জন্যে আমার দীর্ঘ অপেক্ষা।
2 min
read →পুনরায় শ্রী
শ্রী, অন্ধকারাচ্ছন্ন সমুদ্রে বসে যখন জোয়ারের ঝংকার শুনি, মনে হয় তুমি ডাকছো, “সুব্র, শুনো!” শুনি। কান পেতে শুনি, শুধু জোয়ারের শব্দই তীব্র হয়, তোমার প্রতিউত্তর পাই না।
1 min
read →অনুস্মারক
শ্রী, প্রায়ই অনুস্মারকে ভেসে উঠে তোমার নাম, দেখি। পুনরায় দেখার নিমিত্তে, না-দেখার ভান করি চোখ ঝাপসা হয়ে আসে, ভগ্নাংশের মতো নিজেকে “লেফট ওভার” অনুভূত হয়। কিছু কিছু অনুস্মারক মুছতে মন চায় না।
1 min
read →গোলাপী খাম (অন্ত)
শ্রী, কেমন আছো? তোমায় কিছু না লেখার সহস্র বছর কেটে গেলো। খামটা আমি বোধহয় হারিয়েই ফেলেছি। তন্ন তন্ন করে খুঁজলাম, না তোমায় পেয়েছি, না তোমার খাম।
1 min
read →১৪১০
তোমায় দেখি না বহুদিন, কেমন আছো? এটা আমার ১৪১০তম পত্র, ১৩৯৯তে বলেছিলাম আর লিখবো না, দেখো, ঠিকই লিখছি।
1 min
read →বৃষ্টি পরীক্ষা
ধুর, বোঝাতে চাচ্ছি, তুমি আমার জন্যে চিরসুন্দরী, তোমার সৌন্দর্য আবহাওয়ার মতোন পরিবর্তনশীল নয়। এই যে ধরো, বৃষ্টি পড়ছে বলেই সুন্দর, হ্যালো? তুমি কি শুনছো কি বলছি? “হ্যাঁ কবি, শুনছি। তুমি বলতে থাকো।” এভাবে বলছো কেন? আমি তো মনের মাধুরী মিশিয়ে তোমাকে বৃষ্টির গুণগান শুনাচ্ছিলাম।
1 min
read →৫ষ্ট
মধ্যরাত, ৫ বাজে, মধ্যরাতও না, ভোর হলো বলে । সাইলেন্ট ফোনে তোমার ৫টা কল কবে আসলো টেরই পাইনি। কল ব্যাক করবো? আচ্ছা করি। : আচ্ছা তুমি কই বলো তো? ফোন দিচ্ছি সেই কবে থেকে? উমমম সরি, ফোন সাইলেন্ট ছিল তো, খেয়াল করি নি।
1 min
read →সন্ধ্যা
মনের মধ্যে অবিরাম বাজছে, “বেলা হারায়, সন্ধ্যাতারায়..” জিজ্ঞাসা করেই বসলাম, “তোমাকে ঠিক কতটুকু ভালোবাসা যায়?” তুমি খানিকটা চমকে বললে, “আমাকে কতটুকু ভালোবাসা যায়?”
2 min
read →মৃত্যুবার্ষিকী
অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন। "আসসালামু আলাইকুম, পাঠাও থেকে বলছি। আপনি কি সুব্রজিৎ বলছেন?" "হ্যাঁ বলুন!"
1 min
read →গোলাপী খাম
আজ সারাদিন ব্যস্ত সময় কেটেছে, পুরোনো বাসা ছেড়ে দিচ্ছি, সব গোছগাছ করতে করতেই দিন শেষ। একটু শুয়ে ফোন স্ক্রল করছি, দিদি ডাকতে ডাকতে এগিয়ে আসছে, হাতে হলুদ মলাটের একটা খাতা। 'কিরে কবি, কি কি লিখিস এই খাতায়?' 'কিছু নাহ্!'
2 min
read →তোমার কি মন খারাপ? (সমাপ্তি)
'তোর আসতে এতক্ষণ লাগলো?' 'ওই একটু জ্যামে আটকে ছিলাম। তোকে কতদিন পর দেখলাম।' 'আগে তুই বল, আমি না হয় হাসপাতালে ছিলাম, তোর মাথায় এই ব্যান্ডেজ কিসের?' 'ও কিছু নাহ্, একটু মাথায় লেগেছিল! বাদ দে, চল।'
3 min
read →তোমার কি মন খারাপ? (মধ্যভাগ)
আজ হাসপাতাল থেকে ফিরলাম। আম্মু বললো আমি সেদিন জ্ঞান হারিয়েছিলাম! মাইগ্রেনের সমস্যাটা বোধহয় খুব বেড়েছে ইদানিং, ডাক্তার বলেছেন, 'তুমি এখন অনেকটুকুই স্ট্যাবল! এখন থেকে মোটেও স্ট্রেস নেওয়া যাবে না, তুমি এখনো ছোট।'
1 min
read →তোমার কি মন খারাপ? (প্রারম্ভিকা)
বললাম, ''অঘোর বৃষ্টিপাত, দমকা বাতাস.. আর বারবার তোমার কাছে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছে! ফিরে না গিয়ে উপায় কি বল?"
1 min
read →— written with love