শ্রী,
কেমন আছো? তোমায় কিছু না লেখার সহস্র বছর কেটে গেলো। খামটা আমি বোধহয় হারিয়েই ফেলেছি। তন্ন তন্ন করে খুঁজলাম, না তোমায় পেয়েছি, না তোমার খাম।
আমার সেদিনই খামের ভেতরের চিঠিটা পড়া উচিৎ ছিলো। কি লিখেছিলে ওটায়? আমায় কতটা ভালোবাসো? আমায় কতটা চাও?
… নাকি আমায় নিয়ে তোমার সব ঘৃণা?
“ভাবনায় বসন্তের অনুরণন,
বৃষ্টি হয় না অনেকদিন..
খামের প্রতি অক্ষরে লেখা,
তোমার কাছে আমার কত ঋণ!”
আচ্ছা, তুমি কি কখনও আমার ডায়েরি পড়েছো? কত্ত লেখনী লিখে রেখেছি তোমায় নিয়ে। আমি নিজেও বিহ্বল হয়ে পড়ি পড়তে গিয়ে। জানো, কোনো একটা পৃষ্ঠার ছোট একটা অংশে লিখে রেখেছি,
“দোলনচাঁপা আমার শ্রী-র ফুল”
আরেকটা পৃষ্ঠায় লিখেছি,
“প্রিয়তমা প্রিয়েষু,
আমি কখনোই প্রারম্ভিকায় ভালো ছিলাম না, আজও পারলাম না.. আচ্ছা, আমাদের এই নিস্তব্ধতার অন্ত কোথায় বলতে পারো? ….”
এটা আর শেষ করিনি। বোধহয় আর কখনোই শেষ করা হবে না।